আর্কাইভ
লগইন
হোম
জয়ী না হয়েও জিতেছে বাংলাদেশ: তানজিয়া জামান মিথিলা
জয়ী না হয়েও জিতেছে বাংলাদেশ: তানজিয়া জামান মিথিলা
দ্য নিউজ ডেস্ক
November 26, 2025
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
‘হীরালাল সেন’ পদক পেলো ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’
‘হীরালাল সেন’ পদক পেলো ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’
4 ঘন্টা আগে
জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্দা নামল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ (ডিইউএফএস) আয়োজিত ‘আমার ভাষার চলচ্চিত্র উৎসব ১৪৩২’-এর। উৎসবের সমাপনী দিনে সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে ‘হীরালাল সেন’ পদক জয় করেছে তরুণ নির্মাতা আকাশ হকের সিনেমা ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’। গত রোববার রাতে তরুণ নির্মাতা আকাশ হকের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। গত রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) উৎসবের সমাপনী সন্ধ্যায় নির্মাতা আকাশ হকের হাতে তুলে দেওয়া হয় বছরের সেরা চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি ‘হীরালাল সেন পদক ১৪৩২’। শুধু সেরা চলচ্চিত্রই নয়, অসাধারণ কাহিনীর জন্য সিনেমাটি সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কারও নিজের ঝুলিতে ভরেছে। সমালোচক বিধান রিবেরু এই পুরস্কার তুলে দেওয়ার সময় উৎসব প্রাঙ্গণে ছিল টানটান উত্তেজনা।
মনে হচ্ছিল রটারড্যামে উৎসবটা আমাদেরই : অভিনেত্রী বাঁধন
মনে হচ্ছিল রটারড্যামে উৎসবটা আমাদেরই : অভিনেত্রী বাঁধন
4 ঘন্টা আগে
বাংলাদেশের জয়জয়কার নেদারল্যান্ডসের মর্যাদাপূর্ণ রটারড্যাম চলচ্চিত্র উৎসবে। রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত পরিচালিত ‘মাস্টার’ সিনেমাটি এই আসরে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্থাৎ ‘বিগ স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড’ জয় করেছে। উৎসবের শুরু থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিনেমার নির্মাতা সুমিতসহ অভিনয়শিল্পী আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া বারী মম ও নাসির উদ্দিন খান। সদ্য এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রটারড্যামের অভিজ্ঞতা জানালেন অভিনেত্রী বাঁধন। পুরস্কার প্রাপ্তির মুহূর্তটি বর্ণনা করতে গিয়ে বাঁধন বলেন, সেই অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা খুব সাধারণভাবে গিয়েছিলাম; ভেবেছিলাম অন্য সবাই পুরস্কার পাবে আর আমরা হাততালি দেব। সেই হাততালি যখন বাংলাদেশের জন্য হয়ে গেল, সেটা খুব আনন্দের ছিল। পরিচালকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত একজন অত্যন্ত সৎ নির্মাতা। আজ তার সেই সততারই প্রতিফলন ঘটেছে এই অর্জনে।
যেভাবে প্রথম শিকার ধরেন কুখ্যাত এপস্টেইন ও তার প্রেমিকা
যেভাবে প্রথম শিকার ধরেন কুখ্যাত এপস্টেইন ও তার প্রেমিকা
2026-02-03
মার্কিন বিচার বিভাগ ‘এপস্টাইন ফাইলস’ নামে পরিচিত বিপুলসংখ্যক নথি প্রকাশ করেছে। এসব ফাইল জেফরি এপস্টেইনের যৌন নির্যাতন ও শিশু পাচারের অভিযোগের তদন্তের সঙ্গে যুক্ত। ফাইলগুলোতে তার প্রেমিকা গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের ভূমিকাও বিশেষভাবে উঠে এসেছে। তরুণী ও কিশোরী মেয়েদের এপস্টেইনের যৌন নির্যাতনের জালে তিনিই টেনে আনতেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছে, নথিগুলোর মধ্যে ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য, ইমেইল, ডায়েরি এন্ট্রি, এফবিআই রিপোর্ট ও আদালতের কপি রয়েছে। এগুলোতে দেখা যায় কীভাবে গিলেইন ও এপস্টেইন মিলে একটি সুসংগঠিত গ্রুমিং প্রক্রিয়া পরিচালনা করতেন। ধারণা করা হয়, গিলেইন ও এপস্টেইন তাদের প্রথম শিকারটি করেছিলেন ১৯৯৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে। সে সময় মিশিগানের ইন্টারলোচেন স্কুল অব দ্য আর্টস-এর একটি গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে এই জঘন্য চক্রের শুরু হয়। ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরী, যাকে আদালতের নথিতে ‘জেন ডো’ বলা হয়েছে, সেখানে গানের প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ—থিয়েটার, নাচ, সৃজনশীল লেখালেখি ইত্যাদি শেখানো হত। জেন ডো ফ্লোরিডার পাম বিচ থেকে প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার দূরে অনুষ্ঠিত ঐ ক্যাম্পে অংশ নিয়েছিলেন।