আর্কাইভ
লগইন
হোম
ভারত আগ্রাসন চালালে জবাব দিতে পুরোপুুরি প্রস্তুত পাক সেনাবাহিনী
ভারত আগ্রাসন চালালে জবাব দিতে পুরোপুুরি প্রস্তুত পাক সেনাবাহিনী
দ্য নিউজ ডেস্ক
মে ০৫, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
সর্বনাশের হাত থেকে আইসিসিকে বাঁচালো বাংলাদেশ
সর্বনাশের হাত থেকে আইসিসিকে বাঁচালো বাংলাদেশ
1 দিন আগে
বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি যখন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে চরম আর্থিক ও প্রশাসনিক বিপর্যয়ের মুখে, ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে এল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি পণ্ড হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেল বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কূটনৈতিক হস্তক্ষেপে। এই অবদানের পুরস্কার হিসেবে আইসিসি বাংলাদেশকে বড় ধরনের ‘উপহার’ দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে। নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারতে খেলতে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি কঠোর অবস্থান নেয় এবং বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে।
এবার একাই ইরানে হামলা করতে চায় ইসরাইল
এবার একাই ইরানে হামলা করতে চায় ইসরাইল
1 দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা তুঙ্গে। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ভূমিতে হামলা করার জন্য আরব সাগরে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকন এবং বেশ কয়েকটি ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। যেকোনো মুহূর্তে হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়ে গেছে। এরই মধ্যে উত্তেজনা কমাতে গত শুক্রবার ওমানের রাজধানী মাসকটে উভয়পক্ষ পরোক্ষ আলোচনায় বসেছিল। যদিও সেই বৈঠকের ফলাফল নিয়ে আশাবাদী হতে পারেনি ওয়াশিংটন। এই কারণে আলোচনা শেষ করেই ইরানের তেল পরিবহন ব্যবস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং সম্ভাব্য হামলা এড়াতে পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচি পরিত্যাগসহ কয়েকটি শর্ত দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে এসবের তোয়াক্কা করছে না তেহরান। দেশটি বরাবরই বলে আসছে যে, তারা আলোচনার দরজা খোলা রেখেছে, একই সঙ্গে যুদ্ধের জন্যও সবসময় প্রস্তুত। হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সম্প্রতি বলেন, দেশটির সেনাবাহিনী ট্রিগারে আঙ্গুল দিয়ে রেখেছে, হুকুম পেলেই যেকোনো আগ্রাসনের সমুচিত জবাব দেবে।
যেভাবে প্রথম শিকার ধরেন কুখ্যাত এপস্টেইন ও তার প্রেমিকা
যেভাবে প্রথম শিকার ধরেন কুখ্যাত এপস্টেইন ও তার প্রেমিকা
2026-02-03
মার্কিন বিচার বিভাগ ‘এপস্টাইন ফাইলস’ নামে পরিচিত বিপুলসংখ্যক নথি প্রকাশ করেছে। এসব ফাইল জেফরি এপস্টেইনের যৌন নির্যাতন ও শিশু পাচারের অভিযোগের তদন্তের সঙ্গে যুক্ত। ফাইলগুলোতে তার প্রেমিকা গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের ভূমিকাও বিশেষভাবে উঠে এসেছে। তরুণী ও কিশোরী মেয়েদের এপস্টেইনের যৌন নির্যাতনের জালে তিনিই টেনে আনতেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছে, নথিগুলোর মধ্যে ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য, ইমেইল, ডায়েরি এন্ট্রি, এফবিআই রিপোর্ট ও আদালতের কপি রয়েছে। এগুলোতে দেখা যায় কীভাবে গিলেইন ও এপস্টেইন মিলে একটি সুসংগঠিত গ্রুমিং প্রক্রিয়া পরিচালনা করতেন। ধারণা করা হয়, গিলেইন ও এপস্টেইন তাদের প্রথম শিকারটি করেছিলেন ১৯৯৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে। সে সময় মিশিগানের ইন্টারলোচেন স্কুল অব দ্য আর্টস-এর একটি গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে এই জঘন্য চক্রের শুরু হয়। ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরী, যাকে আদালতের নথিতে ‘জেন ডো’ বলা হয়েছে, সেখানে গানের প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ—থিয়েটার, নাচ, সৃজনশীল লেখালেখি ইত্যাদি শেখানো হত। জেন ডো ফ্লোরিডার পাম বিচ থেকে প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার দূরে অনুষ্ঠিত ঐ ক্যাম্পে অংশ নিয়েছিলেন।