আর্কাইভ
লগইন
হোম
জাতীয় সংসদ নির্বাচন
বুধবার থেকে টানা ৪ দিন সরকারি ছুটি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ দিন
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের টানা ৪ দিন, আর সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একদিন পূজার ছুটিসহ টানা ৫ দিনের ছুটি শুরু হচ্ছে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি)। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বা প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি নির্বাচন ও পুজার ছুটি মিলিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে টানা পাঁচ দিন চলবে। ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ছুটি হবে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি। ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আগামিকাল ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
1 দিন আগে
এই নির্বাচন বিএনপিকে একটি সতর্ক সংকেত দিয়েছে: সেলিমা রহমান
এই নির্বাচন বিএনপিকে একটি সতর্ক সংকেত দিয়েছে: সেলিমা রহমান
2025-09-11
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, পতিত সরকারের দোসরদের কারণে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ভরাডুবি হয়েছে। এই নির্বাচন বিএনপিকে একটি সতর্ক সংকেত দিয়েছে। সেলিমা রহমান বলেন, আপনারা দেখেছেন ডাকসু নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দোসরদের সাথে মিলে আরেকটি রাজনৈতিক দল কীভাবে খেলা খেললো। এগুলো আপনাদের বুঝতে হবে, জানতে হবে এবং এখন থেকে কাজ করতে হবে। গতকাল বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বরিশাল মহানগর মহিলাদলের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বলেন।
ডাকসু নির্বাচনে হস্তক্ষেপের প্রশ্নই আসে না: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ডাকসু নির্বাচনে হস্তক্ষেপের প্রশ্নই আসে না: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
2025-09-08
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। বিশেষত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের প্রশ্নই আসে না। এমনটাই জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই কথা জানায় সংস্থাটি। এতে বলা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ক্রমাগত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার স্বাভাবিক স্থিতিশীলতা বিনষ্টের অপচেষ্টা। যা সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশকে ব্যাহত করতে পারে।