আর্কাইভ
লগইন
হোম
ফোনকলে ভয়, টেক্সটেই ভরসা জেন-জি’
ফোনকলে ভয়, টেক্সটেই ভরসা জেন-জি’
দ্য নিউজ ডেস্ক
এপ্রিল ২২, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
 দক্ষিণ কোরিয়া স্কুলে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করলো
দক্ষিণ কোরিয়া স্কুলে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করলো
1 দিন আগে
স্কুলে স্মার্টফোন ও স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। আইন আকারে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া দেশগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। গতকাল বুধবার জাতীয় পরিষদে বিলটি পাশ হয় ১৬৩ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ১১৫ জনের সমর্থনে। আইনটি কার্যকর হবে ২০২৬ সালের মার্চ থেকে। গতকাল বুধবার (২৭ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে টিআরটি গ্লোবাল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিশু-কিশোরদের মধ্যে স্মার্টফোন আসক্তি নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বেড়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার মান, মানসিক স্বাস্থ্য ও সামাজিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর পূর্বে ফ্রান্স ও ফিনল্যান্ড আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, মূলত কম বয়সী শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে। ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও চীন তুলনামূলকভাবে কঠোর বিধিনিষেধ চালু করেছে। অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া ও নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যে স্কুলের সব স্তরে ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। নেদারল্যান্ডসে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্কুলে ফোন নিষিদ্ধের পর শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বেড়েছে।
শরীরে প্রোটিনের অভাবে যা ঘটে, তবে সমাধান আছে!
শরীরে প্রোটিনের অভাবে যা ঘটে, তবে সমাধান আছে!
3 দিন আগে
মানব শরীরের অন্যতম প্রধান উপাদান হলো প্রোটিন। এটি শুধু শরীরে পেশি তৈরি করে না, বরং হাড়, ত্বক, চুল ও মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর প্রাপ্তবয়স্ক নারীর দিনে অনন্ত ৪৬ গ্রাম এবং পুরুষের ৫৬ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত। আর যদি শরীর নিয়মিত প্রয়োজনীয় পরিমাণ প্রোটিন না পায়, তাহলে ধীরে ধীরে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে প্রয়োজন হয়—ডাল, ডিম, দুধ, মাছ ও মুরগির মাংস, সয়া ও পনির, বাদামসহ নানা ধরনের শুকনো ফল। প্রোটিনের অভাবে ঘুমের পরও ক্লান্তিভাব অনুভূত হয়। কারণ আপনি যদি অনেক ঘুমিয়েও থাকেন, তবু আপনার শরীর ক্লান্ত অনুভব করে। তাহলে ধরে নিন প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে। কারণ প্রোটিন শরীরে শক্তি তৈরিতে সহায়তা করে— ঘাটতি হলে দেখা দেয় দুর্বলতা ও মানসিক অবসাদ। আর সেই সঙ্গে প্রোটিনের অভাবে চুল পাতলা হয়ে যায়, ত্বক শুষ্ক হয় এবং নখ দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়ে।
নিজের একাকিত্ব কাটিয়ে একটু ভালো থাকা যায়
নিজের একাকিত্ব কাটিয়ে একটু ভালো থাকা যায়
4 দিন আগে
নারী-পুরুষ সবার জন্যই একাকী জীবন চালিয়ে নেওয়া কঠিন। আর আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় একা নারীদের বঞ্চনার চিত্র বেশ হতাশাজনক। বিধবা বা বিয়ে না করা নারীরা পারিবারিক কাঠামোতে ভীষণভাবে অবহেলিত। সমাজে মানুষ হিসেবে যতটুকু মর্যাদা থাকার কথা তাও তাদের নেই বা দেওয়া হয় না। এই অবস্থায় পরিবারের অন্যরা যখন নিজেদের মতো ব্যস্ত হয়ে যায়, সেই বাবা-মা-বা একা থাকা ভাই-বোনটির খবর নেওয়ারও সময় হয় না সপ্তাহ বা মাসেও। তখন এই ভয়াবহ একাকিত্ব কাটাতে ৪০-৫০ বছর বা আরও বেশি বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চাইলেও আমাদের সমাজ তা সুন্দর-সহজভাবে নেয় না। অথচ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে যদি কেউ সঙ্গীর অভাব বোধ করেন, তাকে তো উৎসাহ দেওয়া যেতেই পারে।