আর্কাইভ
লগইন
হোম
বাইকের রিজার্ভ ট্যাংকে কত লিটার জ্বালানি থাকে?
বাইকের রিজার্ভ ট্যাংকে কত লিটার জ্বালানি থাকে?
দ্য নিউজ ডেস্ক
জুন ৩০, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো
রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো
1 দিন আগে
রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে উচ্চ প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণ সহায়তার কারণে ফের দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার ৩১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। গতকাল বুধবার (২৭ আগস্ট) দিন শেষে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১.৩৩ বিলিয়ন ডলার। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ হয়েছে ২৬.৩১ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) ২০২ কোটি ডলার পরিশোধ করে বাংলাদেশ। এর পর গ্রস রিজার্ভ কমে ২৯.৫৩ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। আর বিপিএম৬ অনুযায়ী নেমে আসে ২৪.৫৬ বিলিয়ন ডলারে।
শরীরে প্রোটিনের অভাবে যা ঘটে, তবে সমাধান আছে!
শরীরে প্রোটিনের অভাবে যা ঘটে, তবে সমাধান আছে!
3 দিন আগে
মানব শরীরের অন্যতম প্রধান উপাদান হলো প্রোটিন। এটি শুধু শরীরে পেশি তৈরি করে না, বরং হাড়, ত্বক, চুল ও মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর প্রাপ্তবয়স্ক নারীর দিনে অনন্ত ৪৬ গ্রাম এবং পুরুষের ৫৬ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত। আর যদি শরীর নিয়মিত প্রয়োজনীয় পরিমাণ প্রোটিন না পায়, তাহলে ধীরে ধীরে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে প্রয়োজন হয়—ডাল, ডিম, দুধ, মাছ ও মুরগির মাংস, সয়া ও পনির, বাদামসহ নানা ধরনের শুকনো ফল। প্রোটিনের অভাবে ঘুমের পরও ক্লান্তিভাব অনুভূত হয়। কারণ আপনি যদি অনেক ঘুমিয়েও থাকেন, তবু আপনার শরীর ক্লান্ত অনুভব করে। তাহলে ধরে নিন প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে। কারণ প্রোটিন শরীরে শক্তি তৈরিতে সহায়তা করে— ঘাটতি হলে দেখা দেয় দুর্বলতা ও মানসিক অবসাদ। আর সেই সঙ্গে প্রোটিনের অভাবে চুল পাতলা হয়ে যায়, ত্বক শুষ্ক হয় এবং নখ দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়ে।
নিজের একাকিত্ব কাটিয়ে একটু ভালো থাকা যায়
নিজের একাকিত্ব কাটিয়ে একটু ভালো থাকা যায়
4 দিন আগে
নারী-পুরুষ সবার জন্যই একাকী জীবন চালিয়ে নেওয়া কঠিন। আর আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় একা নারীদের বঞ্চনার চিত্র বেশ হতাশাজনক। বিধবা বা বিয়ে না করা নারীরা পারিবারিক কাঠামোতে ভীষণভাবে অবহেলিত। সমাজে মানুষ হিসেবে যতটুকু মর্যাদা থাকার কথা তাও তাদের নেই বা দেওয়া হয় না। এই অবস্থায় পরিবারের অন্যরা যখন নিজেদের মতো ব্যস্ত হয়ে যায়, সেই বাবা-মা-বা একা থাকা ভাই-বোনটির খবর নেওয়ারও সময় হয় না সপ্তাহ বা মাসেও। তখন এই ভয়াবহ একাকিত্ব কাটাতে ৪০-৫০ বছর বা আরও বেশি বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চাইলেও আমাদের সমাজ তা সুন্দর-সহজভাবে নেয় না। অথচ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে যদি কেউ সঙ্গীর অভাব বোধ করেন, তাকে তো উৎসাহ দেওয়া যেতেই পারে।